সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
ঢাকার রমনা থানায় অবস্থিত বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনার জন্য নির্মিত হচ্ছে বুয়েট কেন্দ্রীয় মন্দির। ২০২৪ সালের ২২ জুন আহসান উল্লাহ হলের উত্তর-পূর্ব পাশে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা বুয়েট কেন্দ্রীয় মন্দির নামে পরিচিত। ২০২৪ সালের ২২ জুন শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আহসান উল্লাহ হলের উত্তর-পূর্ব পাশে একটি ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এই মন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সত্য প্রসাদ মজুমদার ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার খাঁন যৌথভাবে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোস্টবৃন্দ, প্রধান প্রকৌশলী এবং বিভিন্ন অফিস, ইনস্টিটিউট ও সেন্টারের প্রধানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। মন্দিরটি নির্মাণের মাধ্যমে বুয়েট ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা নিজেদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনের জন্য একটি স্থায়ী ও সুনির্দিষ্ট উপাসনালয় পাবেন।
এটি বুয়েটের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি সম্মান জানানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। মন্দিরটির নির্মাণকাজ এখনো চলমান থাকলেও, এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটনা বুয়েট ক্যাম্পাসে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।






