মোট 111টি মন্দির পাওয়া গেছে(পেজ 1/4)

sri sri gouranga mohaprobhur mondir
মন্দির টি বাংলা ১৩৫০ সনের দিকে স্থানীয় ঊলন দাসপাড়া উদ্দোগে মন্দির টি গড়ে উঠে। এই মন্দিরে প্রধান পুজিত দেবতা রাধা কৃষ্ণ এছাড়া দূর্গা ,কালি ,লক্ষ্মী,সরস্বতী পুজা সহো এক নাম হয়ে থাকে।

sri sri tara shankar govinda dham
এই মন্দিরে তারা শঙ্কর গোবিন্দ পুজা হয় , আশ্বিন মাসে বার্ষিক পুজা হয়।

sri sri shani bigroho mondir
শেরপুর শহরের প্রান কেন্দ্রে শনি বিগ্রহ মন্দির টি অবস্থিত। এখানে প্রতি শনিবার গ্রহ রাজের পুজা হয় ,তা ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন গ্রহরাজের নিত্যপুজা হয়।

sri hori mondir
এই মন্দিরে শ্রী হরি র পুজা হয় মুলতো এ ছাড়া দোল এর পুজা হয় ও দূর্গা কালী সরস্বতী পুজা হয়।

sri sri madan gopal mondir
এই মন্দিরে ভগবান শ্রী কৃষ্ণ মদনমোহন রুপে পুজিত হয়।

sri sri raghunath jior mondir
এই মন্দির টি আড়াই আনী জমিদার নির্মান করেন, বাংলা ১৩০০ সনের আরে আগে। এই মন্দিরের প্রধান পুজিত দেবতা রাম, তার সাথে পুজিত হন লক্ষন ও মাতা সীতা।

Sri Sri kusumeswari shib mondir
বাংলা ১৩৩৩ সনে তৎকালিন জমিদার কতৃক এই মন্দির টি স্থাপিত। এই মন্দিরে প্রধান ও একমাত্র পুজিত দেবতা মহাদেব। প্রতি সোমবার বাবা ভোলা নাথের মাথায় জল অর্পন করা হয়।

New Hat Public Durga Temple
উন্নত কাজ চলমান।

Sri Sri Radhamohon Jiu Mondir
শ্রীশ্রী রাধামোহন জিউ মন্দির জামালপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে দয়াময়ী পাড়ায় অবস্থিত। ৩২০ বছরেরও বেশি পুরনো শ্রী শ্রী দয়াময়ী মন্দিরের ঠিক পাশেই অবস্থিত এই মন্দিরটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী একটি ধর্মীয় স্থান।

Sri Sri Radharaman Temple
বাংলাদেশ সরকার কতৃক বরাদ্দ কৃত জমিতে ইসকন এর তত্ববধানে এই মন্দির গড়ে উঠে।

Sri Sri Raksha Kali Mata Temple
চার কাঠা জমির উপর চূড়া আকৃতির এই মন্দিরটি নির্মিত। এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। এই মন্দিরের মা ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ করেন। লোকমুখে শোনা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী মন্দিরটি ভাঙতে এলে এক ছায়া মূর্তি খর্গ হাতে দাঁড়িয়ে এই মন্দিরকে রক্ষা করেছেন।

Sri Sri Shonidev Temple
এই মন্দিরে প্রধান পুজিত দেবতা গ্রহরাজ শনি দেব। তাছাড়া এখানে শ্রী বিষ্ণু ও মা কালী। প্রতি শনিবার এখানে শনিদেবের পুজা হয়।

Raghunath bazar kali mondir
এলাকা ভিত্তিক মন্দির।

Sarbojonin Sri Satya Narayana Vigraha Mandir
মন্দিরটি অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত একটি হিন্দু ধর্মীয় অ্যাদাত্মিক স্থান। এটি চট্টগ্রামের একটি সুপ্রাচীন মন্দির। যার প্রতিষ্টাতা প্রফুল্ল রঞ্জন দাশ সাধু।

sri sri gopinath o annapurna mondir
অতি প্রাচীন একটি মন্দির।

Gopal Jiu Temple
এই মন্দিরে পুজিত প্রধান দেবতা গোপাল। এখানে একটি দুর্গা মন্দির ও শিব মন্দির বিদ্যমান। মন্দিরের নাট মন্দিরে নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয় মাঘ মাসে।

Central Temple, Sherpur
১৮০৩ শাকে শ্রী যুক্তা তারা মনি চৌধুরানী কর্ত্তক প্রস্তুত

sri sri ishwar norosingho jior mondir
নরসিংহ জিওর অখরা মন্দির বর্তমান (ইসকন)

Sri Sri Oggan Thakur Temple
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাউয়া দিঘী হাওরের পাড়ে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি ‘অজ্ঞান ঠাকুর’ নামে খ্যাত এক সাধকের স্মৃতিবিজড়িত। রোগমুক্তি ও মানত পূরণের আশায় সব ধর্মের মানুষ এখানে ছুটে আসেন। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মন্দিরে প্রদীপ জ্বালানো হয় এবং পৌষ সংক্রান্তিতে বার্ষিক মেলার আয়োজন করা হয়।

New Samanbagh Tea Garden Durga Temple
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার নিউ সমনবাগ চা বাগানে অবস্থিত এই মন্দিরটি এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি উপাসনালয়। চা বাগানের সবুজ পরিবেশে অবস্থিত এই মন্দিরে প্রতিবছর শারদীয় দুর্গোৎসব জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হয়।

Sri Sri Thakur Ramchandradeb’s Samadhi Mandir
পরম গুরু শ্রীশ্রী রামঠাকুরের পবিত্র সমাধিক্ষেত্রটি নোয়াখালীর চৌমুহনীতে অবস্থিত,শ্রীশ্রী ঠাকুর রামচন্দ্রদেব তাঁর জীবনের শেষ সাত বছর এই চৌমুহনীতেই কাটিয়েছেন। এখানেই তাঁর স্থুলদেহ সমাহিত রয়েছে, যা ভক্তদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও শ্রদ্ধার স্থান। প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত এখানে প্রার্থনা ও দর্শনের জন্য আসেন।

Sri Sri Kheturi Dham
রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী গ্রামে অবস্থিত খেতুরী ধাম বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি তীর্থস্থান। বৈষ্ণব সাধক শ্রী শ্রী নরোত্তম দাস ঠাকুর-এর স্মৃতিবিজড়িত এই ধামে প্রতি বছর কার্তিক মাসের পঞ্চম দিনে অনুষ্ঠিত হয় জমজমাট খেতুরী উৎসব।

shreemangal Sri Sri Sarbojanin Durga Bari Temple
শ্রীমঙ্গল শহরের মৌলভীবাজার রোডে অবস্থিত শ্রীশ্রী সার্বজনীন দুর্গাবাড়ি মন্দিরটি সম্প্রতি নবনির্মিত ও সংস্কার করা হয়েছে। ধবধবে সাদা ও হলুদ রঙের সমন্বয়, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং মন্দিরের চূড়ায় স্থাপিত সোনালি নটরাজ মূর্তি এটিকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা।

ri Sri Pranaballabh Jiu Temple
পুরান ঢাকার বাংলাবাজারের শ্রীশ দাস লেনে অবস্থিত শতবর্ষ প্রাচীন একটি ঐতিহ্যবাহী মন্দির। ব্রিটিশ আমলে ধনাঢ্য জমিদার শ্রীশ দাস এটি প্রতিষ্ঠা করেন। হেরিটেজ কারুকার্য ও রঙিন কাঁচের অসাধারণ নকশা মন্দিরটির স্থাপত্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

Sri Sri Nitai Gaur Jew Temple (ISKCON, Sreemangal)
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সবুজবাগ এলাকায় ইসকন পরিচালিত এই পবিত্র মন্দিরটি ভক্তদের কাছে ‘নিতাই গৌর জিউ মন্দির’ নামেই সমধিক পরিচিত। রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী, দামোদর দীপদান মহোৎসব সহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব এখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হয়।

Sri Sri Burrakartar Samadhi Ashram
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবস্থিত প্রায় একশ বছরের পুরনো আশ্রম। ভক্তরা যাকে “বুড়াকর্তা” বলে ডাকেন, সেই সন্ন্যাসী রাধাকান্ত সোহং স্বামীজির সমাধিই এই আশ্রমের প্রাণকেন্দ্র। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ দিনব্যাপী মেলা ও কীর্তন অনুষ্ঠিত হয় যা সারাদেশের হাজারো ভক্তকে আকর্ষণ করে।

Sri Sri Tara Maa Temple (Bārthi Kali Bari)
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৪৫০ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও জাগ্রত শক্তিপীঠ। মন্দিরের পাশের জোয়ার-ভাটার খালে স্নানের স্বপ্নাদেশের কাহিনি চিরকাল ভক্তদের কাছে অম্লান। প্রতি বছর চৈত্র মাসের বাৎসরিক কালীপূজা ও মেলা লক্ষাধিক পুণ্যার্থীকে আকর্ষণ করে।

Sri Sri Mokshadayini Kali Temple and Shiva Temple
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের পূর্বকন্যারা গ্রামে অবস্থিত এই মন্দির কমপ্লেক্সে পাশাপাশি মা মোক্ষদায়িনী কালী ও ভগবান শিব পূজিত হন। এটি একটি ‘জাগ্রত’ পীঠ হিসেবে এলাকাবাসী ও দূরদূরান্তের ভক্তদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। বিশেষ করে দীপাবলি ও কালীপূজা উপলক্ষে এখানে ভক্তের ঢল নামে।

Sri Sri Kanailal Jeu Bighraha Mandir (ISKCON Savar)
সাভারের কাতলাপুর এলাকায় অবস্থিত ইসকন সাভার একটি অলৌকিক ও জাগ্রত তীর্থস্থান। গঙ্গার শাখা বংশী নদী থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে পাওয়া কষ্টিপাথরের বিষ্ণু বিগ্রহ এখানে বিরাজমান। বালিয়াটি জমিদারের স্বপ্নাদেশের ফলশ্রুতিতে ২০১৪ সালে নবনির্মিত মন্দিরটি ভক্তদের কাছে প্রশান্তি ও কৃষ্ণপ্রেম ছড়িয়ে দিচ্ছে।

Rangkut Bonashram Buddhist Vihara
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় অবস্থিত ২,৩০০ বছরের প্রাচীন রাংকুট বনাশ্রম। খ্রিস্টপূর্ব ২৬৮ অব্দে সম্রাট অশোক গৌতম বুদ্ধের বক্ষাস্থি রক্ষার্থে এই চৈত্য স্থাপন করেন।