মোট 14টি মন্দির পাওয়া গেছে

Sri Sri Chinishpur Kali Mandir
শ্রীশ্রী চিনিশপুর কালী মন্দির নরসিংদী জেলার একটি অতি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক সনাতন তীর্থস্থান। এটি প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো। মা দক্ষিণাকালীকে উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন পরম মাতৃসাধক দ্বিজ রামপ্রসাদ।

Jagannath University Central Temple
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) এখনো কোনো স্থায়ী কেন্দ্রীয় মন্দির গড়ে ওঠেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চের পাশে প্রতীকী মন্দির তৈরি করেন।

Dhakeshwari National Temple
দ্বাদশ শতাব্দীতে সেন রাজা বল্লাল সেন প্রতিষ্ঠিত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির হল বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির ও একটি পবিত্র শক্তিপীঠ। দেবী দুর্গার আরাধনায় নির্মিত এই মন্দিরটি ঢাকা শহরের প্রাচীনতম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু তীর্থস্থান।

Shree Shree Jagannath Jeu Thakur Mandir
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে নির্মিত পুরান ঢাকার তাতি বাজারের এই প্রাচীন মন্দিরটি জগন্নাথ দেবের রথযাত্রার জন্য বিখ্যাত।এর অলংকৃত সম্মুখভাগ ২০০৮ সালে ভেঙে ফেলা হয়, যা এর স্থাপত্য ঐতিহ্যের অপূরণীয় ক্ষতি।

Sonarang Twin Temples
অষ্টাদশ শতাব্দীর নিদর্শন ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক সংরক্ষিত।পাশাপাশি অবস্থিত দুটি হিন্দু মন্দির নিয়ে গঠিত, যা "জোড়া মঠ" নামে পরিচিত। পশ্চিমের মন্দিরটি কালী ও পূর্বেরটি শিব দেবতাকে উত্সর্গীকৃত।

Borati Shree Shree josomadob mondir
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বরাটি গ্রামে নির্মাণাধীন ‘শ্রী শ্রী যশোদা মাধব মন্দির’ এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নতুন আশার প্রদীপ। মা যশোদা আর বালক কৃষ্ণের অপূর্ব এক লীলাভূমি হয়ে উঠছে এই মন্দিরচত্বর। গত কয়েক মাসের ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে।

Faridpur Sridham Sri Angan
ঢাকা বিভাগের ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় অবস্থিত শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গন বিংশ শতাব্দীর এক অসামান্য সমাজ সংস্কারক ও বৈষ্ণব ধর্মগুরু প্রভু জগদ্বন্ধু সুন্দর কর্তৃক ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত。 মতুয়া ও মহানাম সম্প্রদায়ের প্রধান কেন্দ্র এটি।

Narayonganj Shri Shri Raksha Kali Mandir
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায়, বড়নগর ইউনিয়নের আশ্রন্দী গ্রামে অবস্থিত শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির স্থানীয়দের কাছে এক অতি প্রাচীন ও ‘জাগ্রত’ শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিত। কালীরূপী জননী এখানে ‘রক্ষা’ নামে পূজিতা হন, কেননা ভক্তদের গভীর বিশ্বাস তিনি সব রকম অশুভ শক্তি ও বিপদ-আপদ থেকে সন্তানদের রক্ষা করেন।

Sridham Orakandi
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ওড়াকান্দি গ্রাম মতুয়া ধর্মের প্রধান তীর্থ। ১৮১২ সালে হরিচাঁদ ঠাকুর এখানে জন্ম নিয়ে জাতিভেদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। প্রতি বছর চৈত্র মাসে বারুণী স্নানোৎসব ও মেলা বসে। দূর-দূরান্ত থেকে লাখো ভক্ত কামনা সাগর ও শান্তি সাগরে পুণ্যস্নানে মাতে। জয় গুরু, হরি বোল! 🙏🌺

BANI TIRTHA GRANTHAGAR
এটি অত্র এলাকার মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন একটি মন্দির

Sri Sri Kalibari
শ্রী শ্রী কালীবাড়ি হচ্ছে কিশোরগঞ্জ সদর এর সবচেয়ে বড় মন্দির

ISKCON Swamibag Temple (Sri Sri Radha Govinda Mandir Swamibag Ashram)
ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইসকন স্বামীবাগ মন্দির বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র। শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দিরটি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে কাজ করে।

Sri Sri Baba Loknath Brahmachari Ashram (Baradi Loknath Ashram)
বারদী আশ্রম বাবা লোকনাথের জন্য বিখ্যাত একটি তীর্থস্থান।নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বারদী বাজারে অবস্থিত এই আশ্রমটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিকট একটি পবিত্র তীর্থস্থান। ১৮৬৩ সালে মহাত্মা বাবা লোকনাথ ব্রহ্মচারী এই আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে বাবার সমাধি, শত বছরের পুরনো বকুল গাছ ও "কামনা সাগর" নামক পুকুর রয়েছে ।

Ramna Kali Temple
রমনা কালী মন্দির ঢাকার একটি ঐতিহাসিক কালী মন্দির, যা পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে আবার সক্রিয় হয়েছে। কালীপূজায় এখানে ব্যাপক আয়োজন হয়।