
গ্যালারি






সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ইসকন স্বামীবাগ মন্দির বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রধান ধর্মীয় কেন্দ্র। শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির নামে পরিচিত এই মন্দিরটি ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে কাজ করে।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
এই মন্দিরটি ইতিহাসের সাক্ষী। সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে ইসকনের এটি সবচেয়ে বড় ও প্রধান কেন্দ্র। "স্বামীবাগ ইসকন মন্দির" বা "শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ মন্দির" নামে অভিহিত এই ধর্মীয় স্থাপনাটি ঢাকার পুরনো এই এলাকায় অবস্থিত। ১৯০২ খ্রিস্টাব্দে মূল মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে, ইসকনের ব্যবস্থাপনাধীন এই মন্দিরটি শুধু একটি উপাসনালয় নয়, বরং একটি আধ্যাত্মিক কমপ্লেক্স। এখানে রয়েছে ভক্তদের জন্য নিয়মিত প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা, ভাগবত জ্ঞানের শিক্ষাকেন্দ্র এবং একটি নিরামিষ ভোজনালয়। মন্দিরটি দিনরাত ভক্তিমূলক কাজে সমৃদ্ধ। সকাল ৪ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এখানে আরতি ও ভজন চলে। এই মন্দির চত্বরে একটি নির্মাণাধীন বিশাল আকর্ষণীয় মন্দির নির্মাণ প্রকল্প চলছে, যার মধ্যে একটি দশতলা ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। বর্তমান মন্দিরটি মূলত ইসকনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় হিসেবে কাজ করে, যেখান থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন শাখা পরিচালিত হয়।
মন্দিরটির সঠিক ঠিকানা হলো: ৭৯, স্বামীবাগ রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১১০০, বাংলাদেশ। এটি ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার গেন্ডারিয়া থানাধীন কোতোয়ালি এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে স্বামীবাগ ইসকন মন্দির একটি বড় সংস্কার ও সম্প্রসারণের মধ্যে রয়েছে। একটি দৃষ্টিনন্দন নতুন মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার জন্য একটি দশতলা ভবন নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এর পাশাপাশি, মন্দিরটি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য দোয়া ও শান্তি কামনায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে।
মন্দির দর্শনের সেরা সময় সকাল ও সন্ধ্যার আরতি। মন্দিরের গেটস ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য সবার জন্য উন্মুক্ত। এখানে ভক্তদের জন্য আছে গীতা শিক্ষাকেন্দ্র এবং একটি নিরামিষ রেস্তোরাঁ (Vegeterian Restaurant)。 মন্দিরে পোশাকের নিয়ম মোটামুটি সাধারণ - ঢিলেঢালা ও পরিমিত পোশাক পরিধান করাই উত্তম。 মন্দিরের মূল আকর্ষণ হলো এখানকার আধ্যাত্মিক পরিবেশ এবং ভক্তদের মধ্যে বিদ্যমান সম্প্রীতি। মন্দির চত্বরে ছোট বাচ্চা ও বয়স্ক ব্যক্তিদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা রয়েছে। মন্দিরের ঠিকানার বিপরীতে অবস্থিত স্বামীবাগ রোড দিয়ে অটোরিকশা বা সিএনজি সহজেই পাওয়া যায়।
আশা করি, ইসকন স্বামীবাগ মন্দির বিষয়ে আপনার প্রয়োজনীয় সকল তথ্য উপরে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোনো তথ্য ভুল পরিলক্ষিত হলে দয়া করে সঠিক তথ্য জানাবেন।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।
