সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
ভাওয়াল রাজ পরিবারের রাজ শ্মশানঘাটটি (রাজ শ্মশানেশ্বরী) ১৮৫৬ সালে কালী নারায়ণ রায় বংশানুক্রমে ভাওয়াল রাজবংশের জমিদারির দায়িত্ব পান। কালী নারায়ণের শাসনামলে ভাওয়াল রাজবাড়ী এবং ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী নির্মাণ করা হয়।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
এই শ্মশান চত্বরে অবস্থিত শিব মন্দিরটি এক কথায় অনন্য। পাঁচটি চূড়ার সমন্বয়ে তৈরি এই শিব মন্দিরটি তৎকালীন বিখ্যাত ভারতীয় স্থপতি কামাখ্যা রায় এর নক্সায় তৈরি করা হয়। প্রায় ছয় তলার সমান উঁচু এই অনিন্দ সুন্দর মন্দিরটির শরীর জুড়ে নানা নিখুত কারুকাজে পরিপূর্ণ। শ্মশান চত্বরের ভেতরে প্রাচীন মোগল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত একটি শিব মন্দির রয়েছে, যা "শ্রী শ্রী রণেশ্বর শিব মন্দির" নামেও পরিচিত। এটি ৬ স্তম্ভবিশিষ্ট একটি চমৎকার কাঠামো। এখানে মোট ৭টি শ্মশান মঠ বা সমাধিসৌধ রয়েছে। এর মধ্যে সামনের দিকের ৩টি মঠের নির্মাণশৈলী সাধারণ ও সাদামাটা হলেও, পেছনের বাকি ৪টি মঠে অত্যন্ত নিখুঁত ও দৃষ্টিনন্দন কারুকাজ করা হয়েছে। রাজপরিবারের একেকজন সদস্যের মৃত্যুর পর তাঁদের দাহ করার স্থানে এই সৌধগুলো নির্মাণ করা হতো।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।







