
গ্যালারি





সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
সিলেটের পৈত্যপাড়া, গোটাটিকর এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী রক্ষাকালী বাড়ি মন্দির শহরবাসীর কাছে এক আধ্যাত্মিক প্রশান্তির ঠিকানা。 প্রতিদিন এখানে মা রক্ষাকালীর আরাধনা হয়, যা ভক্তদের মনে গভীর ভক্তি জাগায়।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
সিলেট মহানগরীর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের অন্যতম প্রাচীন ও পরিচিত এলাকা পৈত্যপাড়া (শিববাড়ি)। এই এলাকার গোটাটিকর অংশে, এক নির্মল পরিবেশে অবস্থিত শ্রী শ্রী রক্ষাকালী বাড়ি মন্দির মা কালীর উপাসনার জন্য এক অবিচ্ছেদ্য কেন্দ্র। এলাকাবাসীর কাছে এটি ‘রক্ষাকালী বাড়ি’ নামেই বেশি পরিচিত।। আচমকা চোখে পড়ে মন্দিরটিতে লাল শাড়ি পরিহিতা প্রতিমা এবং পাশে কালো পাথরের উজ্জ্বল মানবমূর্তি।
তান্ত্রিক মতে, রক্ষাকালী দেবীর আবির্ভাব ভক্তদের রক্ষার জন্যই। ধারণা করা হয়, এই মন্দিরের ঐতিহাসিক পটভূমিও সেই বিশ্বাসকেই ধারণ করে। প্রাচীনকালের কোনো সাধক বা জমিদার স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি আছে। তিনি এখানে মা কালীর এক অনন্য রূপ— ‘রক্ষাকালী’ (যিনি রক্ষা করেন)-র আরাধনা শুরু করে গিয়েছিলেন।
🙏 নিয়মিত পূজা পরিচালনা ও উৎসব আয়োজনে সক্রিয় কমিটি
শুধু মন্দির নয়, এই রক্ষাকালী বাড়ির সেবা-পূজা পরিচালনা ও উৎসব আয়োজনে দিয়ে বেশ সক্রিয় একটি কমিটি রয়েছে, যার নাম মা আনন্দময়ী সার্বজনীন পূজা কমিটি। তাদের দায়িত্বশীল উদ্যোগ ও পরিকল্পনায় এই মন্দির আজও প্রাণবন্ত রয়েছে。।
প্রতি শুক্রবার এখানে বিশেষ পূজা হয়, এবং অমাবস্যা তিথিকে ঘিরে থাকে উৎসবের আমেজ। এ সময়ে মন্দির চত্বর ভক্ত-কীর্তনে মুখরিত হয়ে ওঠে, এবং আয়োজন করা হয় মহাভোগ ও মহাপ্রসাদ বিতরণ এর।। বাৎসরিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ছোটোখাটো পূজাও নিয়মিত চলে।
🎨 স্থানীয় ভক্তদের চোখে রক্ষাকালী বাড়ি
শুধু এই ‘শ্রী শ্রী রক্ষাকালী বাড়ি মন্দির’ নয়; আশেপাশের পরিবেশ ও আশীর্বাদ কোনো আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ নেই—স্থানীয়রা প্রতিদিন আসেন সকালের পূজায়, মনের আশা নিয়ে মায়ের পায়ে রাখেন ফুল, আর অপেক্ষায় থাকেন তাঁর সাড়া পাওয়ার। বলাবাহুল্য, প্রতিটি মানত পূরণ হয়। মানত পূরণ হলে ভক্তেরা এখানে এসে সিঁদুর, ফুল বা নারকেল নিবেদন করেন, যা এক অনন্ত বিশ্বাসের চক্র তৈরি করে রেখেছে🌀।
📍 কিভাবে এবং কখন যাবেন
সিলেট নগরীর যেকোনো স্থান থেকে রিকশা, সিএনজি অটোরিক্সা যোগে ‘পৈত্যপাড়া শিববাড়ি’ বা ‘রক্ষাকালী বাড়ি মন্দির’ চিনিয়ে যাওয়া যায়। মন্দির দর্শনের শ্রেষ্ঠ সময় সকাল বেলা (সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা) এবং সন্ধ্যার আরতির সময়। বিশেষ করে শুক্রবার ও অমাবস্যায় যাত্রা করলে পূজার আসল আমেজ উপভোগ করতে পারবেন। এখানে এসে মায়ের আশীর্বাদ ও মানসিক স্থিরতা লাভ নিশ্চিত। এটি আপনার আধ্যাত্মিক অন্বেষণের জন্য এক গন্তব্যস্থল।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।



