মোট 6টি মন্দির পাওয়া গেছে

Narayonganj Shri Shri Raksha Kali Mandir
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায়, বড়নগর ইউনিয়নের আশ্রন্দী গ্রামে অবস্থিত শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির স্থানীয়দের কাছে এক অতি প্রাচীন ও ‘জাগ্রত’ শক্তিপীঠ হিসেবে পরিচিত। কালীরূপী জননী এখানে ‘রক্ষা’ নামে পূজিতা হন, কেননা ভক্তদের গভীর বিশ্বাস তিনি সব রকম অশুভ শক্তি ও বিপদ-আপদ থেকে সন্তানদের রক্ষা করেন।

Sri Sri Anondomoyee Kali Temple
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় শক্তিপীঠগুলোর একটি হলো এই করুণাময়ী কালী মন্দির। ১৭০০ শতকের শেষ দিকে (প্রায় ৪০০ বছর আগে) নির্মিত এই মন্দিরটি জাগ্রত দেবী করুণাময়ী কালী মাতার জন্য বিখ্যাত। প্রাচীনকালে কোনো এক ব্যক্তির স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়।

parbotipur kali mondir
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলায় অবস্থিত এই মন্দিরটি প্রায় ৫০-৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি বিশাল ও দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় স্থাপনা। এটি পার্বতীপুর সেন্ট্রাল কালীবাড়ি নামেও পরিচিত এবং বর্তমানে নির্মাণাধীন থাকা সত্ত্বেও প্রতিদিন শত শত ভক্ত ও দর্শনার্থী এখানে ভিড় করেন।

Jeshoreshwari Kali Temple
শ্যামনগর উপজেলার ইশ্বরীপুর গ্রামে অবস্থিত যশোরেশ্বরী কালী মন্দির ৫১ সতীপীঠের একটি। এই মন্দিরটি ১২শ শতকের শেষার্ধে 'অনরি' নামে এক ব্রাহ্মণ প্রথম নির্মাণ করেন এবং ১৩শ শতকে লক্ষ্মণ সেন সংস্কার করেন。এরপর ১৬শ শতকে যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য মন্দিরটি পুনর্নির্মাণ করান।

Sri Sri Sreemangalessori Kali Bari
মৌলভীবাজারের চা রাজধানী খ্যাত শ্রীমঙ্গল উপজেলা সদরে অবস্থিত কালী মায়ের একটি অতি প্রাচীন ও জাগ্রত পীঠ এটি। আনুমানিক ১৯শ শতকের তৃতীয় দশকে (আনু. ১৮২০-এর দশক) শ্রীমঙ্গলে কালীপূজা শুরু হয়। বর্তমান দৃষ্টিনন্দন পাঁচস্তরবিশিষ্ট মন্দিরটি ২০১২ সালে নির্মাণ শুরু হয়ে প্রায় ৯ বছরে বিশাল ব্যয়ে সম্পন্ন হয়।

Shri Shri Raksha Kali Bari Mandir
সিলেটের পৈত্যপাড়া, গোটাটিকর এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী রক্ষাকালী বাড়ি মন্দির শহরবাসীর কাছে এক আধ্যাত্মিক প্রশান্তির ঠিকানা。 প্রতিদিন এখানে মা রক্ষাকালীর আরাধনা হয়, যা ভক্তদের মনে গভীর ভক্তি জাগায়।