
গ্যালারি


সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার দহসী গ্রামে অবস্থিত এই মন্দিরটি ইসকনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের আরাধ্য দেবতা ভগবান জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা; পাশাপাশি এখানে রাধা মাধব ও নিতাই গৌরার বিগ্রহও পূজিত হন।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
🛕 ইসকন মন্দির, দিনাজপুর: ইতিহাস ও বর্তমান
আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর শহর ও পার্শ্ববর্তী কাহারোল উপজেলা মিলিয়েই প্রতিষ্ঠা করে তার একটি প্রধান কেন্দ্র। দিনাজপুর সদর অঞ্চলের এটি একটি সুপরিচিত উপাসনালয়। তবে ইসকনের একাধিক শাখা থাকায় জেলা সদর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে কাহারোল উপজেলার ডাবোর ইউনিয়নের জয়নন্দহাট বাজারের কাছে অবস্থিত দহসী গ্রামের এই ইসকন মন্দিরটিই দিনাজপুরের প্রধান ইসকন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। আশেপাশের গ্রামাঞ্চলের ভক্তরা প্রতিদিন এখানে এসে সাথে মেতে ওঠেন ভক্তিমূলক সঙ্গীতে।
💒 উপাস্য দেবদেবী ও পূজার রীতি 💒
এই মন্দিরের কেন্দ্রীয় আরাধ্য হলেন ভগবান জগন্নাথ ও তাঁর ভাইবোন বলদেব ও সুভদ্রা। এছাড়াও এখানে রয়েছে রাধা মাধব, সুদর্শন চক্র এবং নিতাই গৌরার বিগ্রহ। দর্শনার্থীরা ভক্তিভরে এখানে আশ্রয় নেন এবং নিত্য পূজা-অর্চনায় অংশগ্রহণ করেন।
⏳ পূজার সময়: মন্দিরটি সাধারণত সকাল ৬:০০টা থেকে দুপুর ১২:০০টা পর্যন্ত এবং বিকাল ৪:০০টা থেকে রাত ৮:০০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। সকাল ও সন্ধ্যার আরতি ও কীর্তন এখানকার নিত্যকর্ম।
🎉 উৎসব আয়োজন 🎉
ইসকন মন্দিরের বার্ষিক উৎসবগুলোর মধ্যে রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী ও গৌর পূর্ণিমা অন্যতম। সারা বছর ভক্ত ও দর্শনার্থীদের জন্য মন্দির চত্বরে বিশেষ ধর্মীয় আলোচনা, ভাগবত পাঠ ও মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।
🚩 ভ্রমণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা 🚩
যোগাযোগের মাধ্যম: ঢাকা বা অন্যান্য জেলা থেকে বাসে করে দিনাজপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত পৌঁছুন। সেখান থেকে বাস, সিএনজি অটোরিকশা অথবা রিক্সায় করে রাজবাড়ী রোডের অবস্থানটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
যোগাযোগ নম্বর: {শীঘ্রই আপডেট করা হবে}
ভ্রমণের উপদেশ: শীতকালে ভ্রমণ করলে ঘন কুয়াশা ও মৃদু ঠান্ডা উপভোগ করবেন। অন্যদিকে বর্ষা ও গ্রীষ্মের সময় আবহাওয়া কিছুটা উষ্ণ থাকে।
🎯 শেষকথা 🎯
ধর্মীয় সেবা ও কীর্তনানন্দের শহর হিসেবে বিবেচিত দিনাজপুরের ইসকন মন্দির মূলত ব্রজলীলার এক অপূর্ব প্রতিচ্ছবি বহন করে। ধর্মীয় অন্বেষী, সনাতন চর্চায় আগ্রহী কিংবা পর্যটক—যেকোনো শ্রেণির মানুষের জন্যই এটি স্মরণীয় একটি স্থান। মা ভক্তিভরে মন্দিরের দেবদর্শন করলে যেন মন প্রশান্তিতে ভরে ওঠে। একবার এসে দেখুন, আপনার আত্মা যেন শীতলতায় স্নাত হয়।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।

