মোট 8টি মন্দির পাওয়া গেছে

Sri Sri Shib Shankar Shoshan Kali Bari Temple
কুমিল্লার টিক্কাচরে অবস্থিত এই মন্দিরটি শিব ও শ্মশানকালীর এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র। প্রায় ৪৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি স্থানীয়দের কাছে এক জাগ্রত পীঠস্থান হিসেবে সমাদৃত।

Goshaildanga Sree Sree Shoshan Kali Bari
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গা এলাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মন্দিরটি একটি জাগ্রত শ্মশান কালী পীঠ হিসেবে পরিচিত। জনশ্রুতি আছে, ১৯৫৮ সালে স্বর্গীয় জমিদার শ্রী জগমোহন চৌধুরী এটি প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দির চত্বরের পাশেই রয়েছে একটি মহাশ্মশান, যা এই মন্দিরের আধ্যাত্মিকতাকে আরও গভীর করেছে।

hri Shri Sarbajanin Raksha Kali Temple & Mahashmashan, Patharghata
চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পাথরঘাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এক জীবন্ত ইতিহাস। এটি শুধু একটি কালী মন্দির নয়, এর বিশাল শ্মশানঘাটের জন্য এটি সারা চট্টগ্রামে সমাধি মন্দির নামেও পরিচিত।

Sri Sri Dewaneshwari Kali Temple
চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাটে অবস্থিত এই মন্দির দেবী কালীর এক জাগ্রত রূপ ‘মা দেওয়ানেশ্বরী’র আরাধনার কেন্দ্র। প্রতিবছর শ্যামা পূজা ও দীপাবলি এখানে মহাসমারোহে উদযাপিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস—মা দেওয়ানেশ্বরী কালী এখানে অশুভ শক্তিকে নাশ করে ভক্তের মনে শান্তি ও সাহস এনে দেন।

Sree Sree Kalitala Kali Mandir
শ্রী শ্রী কালীতলা কালী মন্দির ১৯১৯ খ্রি. ঠাকুরপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

Sri Sri Anondomoyee Kali Temple
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সবচেয়ে প্রাচীন ও জনপ্রিয় শক্তিপীঠগুলোর একটি হলো এই করুণাময়ী কালী মন্দির। ১৭০০ শতকের শেষ দিকে (প্রায় ৪০০ বছর আগে) নির্মিত এই মন্দিরটি জাগ্রত দেবী করুণাময়ী কালী মাতার জন্য বিখ্যাত। প্রাচীনকালে কোনো এক ব্যক্তির স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়।

Patal Kali Temple
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের দুর্গম পাহাড়ি খাদে লুকিয়ে আছে রহস্যময় ‘পাতাল কালী’ মন্দির। দেবী দুর্গার চণ্ডী পাঠের সাথে সম্পৃক্ত এই স্থানটি ভক্তদের কাছে ‘উল্টো কালী’ বা ‘পাতাল কালী’ নামেই বেশি পরিচিত। খাড়া পাহাড়ি পথ পেরিয়ে গভীর খাদের নিচে মায়ের এই আবাসটি সত্যিই রোমাঞ্চকর।

Chatteshwari Temple
চট্টগ্রাম শহরের হৃদয়দেশে অবস্থিত চট্টেশ্বরী মন্দির কালী মাতার অন্যতম বিখ্যাত উপাসনালয়। জনশ্রুতি মতে, প্রায় ৩০০-৩৫০ বছর পূর্বে আর্য ঋষি ও সাধু সন্ন্যাসীদের মাধ্যমে এখানে দেবী চট্টেশ্বরীর আবির্ভাব ঘটে।