Amar Mondir
মন্দির খুঁজুনলাইব্রেরিব্লগক্যাপশনউৎসবলিডারবোর্ডপ্রশ্নোত্তর
Amar Mondir

বাংলাদেশের সকল মন্দিরের তথ্য নিয়ে একটি সমৃদ্ধ ডিরেক্টরি। আমরা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে সকলের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করছি।

লিঙ্ক

  • মন্দির খুঁজে দেখুন
  • লাইব্রেরি
  • ব্লগ ও প্রবন্ধ
  • উৎসব
  • অবদানকারী তালিকা
  • নতুন মন্দির যোগ করুন
  • লগ ইন

কমিউনিটি

  • আমাদের সম্পর্কে
  • গাইডলাইন
  • গোপনীয়তা নীতি
  • যোগাযোগ
  • ফেসবুক গ্রুপ

আমাদের পার্টনার

  • sonatoni bonduder addakana

© 2026 amarmondir. All rights reserved.

হোম
মন্দির
উৎসব
প্রশ্ন
ব্লগ
মি
রাজশাহী

রাজশাহী বিভাগের মন্দিরসমূহ

রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন জেলার সকল মন্দিরের তালিকা, অবস্থান এবং সংক্ষিপ্ত পরিচিতি।

শ্রী শ্রী খেতুরী ধাম

রাজশাহী · ইসকন মন্দির

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার প্রেমতলী গ্রামে অবস্থিত খেতুরী ধাম বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র একটি তীর্থস্থান। বৈষ্ণব সাধক শ্রী শ্রী নরোত্তম দাস ঠাকুর-এর স্মৃতিবিজড়িত এই ধামে প্রতি বছর কার্তিক মাসের পঞ্চম দিনে অনুষ্ঠিত হয় জমজমাট খেতুরী উৎসব।

শ্রীশ্রী রঘুনাথ জিউ মন্দির

নওগাঁ · হিন্দু মন্দির

রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলায় অবস্থিত শ্রীশ্রী রঘুনাথ জিউ মন্দির। এটি প্রায় তিনশো বছর আগে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রাচীন রাম মন্দির। কিংবদন্তি আছে, এক অন্ধ ব্রাহ্মণ বিল থেকে রাম, সীতা ও লক্ষণ বিগ্রহ পান এবং দর্শন পেয়ে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পান।

শ্রীশ্রী মা ভবানী মন্দির

বগুড়া · হিন্দু মন্দির

৫১ শক্তিপীঠের অন্যতম ভবানীপুর শক্তিপীঠ। সতী মাতার বাম পায়ের নূপুর এখানে পড়েছিল। দেবী 'অপর্ণা' ও ভৈরব 'বামন' রূপে পূজিত হন। করতোয়া নদীর তীরে চার একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই মন্দিরে শাঁখাপুকুর ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

পাবনা শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্র সৎসঙ্গ

পাবনা · সৎসঙ্গ মন্দির

পাবনা সদর উপজেলার হেমায়েতপুর গ্রামে পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সৎসঙ্গ আন্দোলনের মূল তীর্থস্থান। ১৯২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত এই আশ্রমটি মানবপ্রেম, স্বনির্ভরতা ও সৎসঙ্গের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে আজও সক্রিয়। এখানে রয়েছে ঠাকুরের জন্মস্থান ও স্মৃতিমন্দির।

পুঠিয়া রাজবাড়ী মন্দির কমপ্লেক্স

রাজশাহী · হিন্দু মন্দির

পুঠিয়া রাজবাড়ী মন্দির কমপ্লেক্স বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ও বৈচিত্র্যময় মন্দিরনগরী। প্রায় ১৩টি প্রাচীন মন্দির, একটি রাজবাড়ি ও বিশাল দীঘি নিয়ে গড়ে উঠেছে এই কমপ্লেক্স। ১৬শ থেকে ১৯শ শতকের মধ্যে পুঠিয়ার জমিদাররা এই অপূর্ব স্থাপত্যগুলো নির্মাণ করেন।