সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
চার কাঠা জমির উপর চূড়া আকৃতির এই মন্দিরটি নির্মিত। এই মন্দিরকে ঘিরে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। এই মন্দিরের মা ভক্তের মনোবাসনা পূর্ণ করেন। লোকমুখে শোনা যায়, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী মন্দিরটি ভাঙতে এলে এক ছায়া মূর্তি খর্গ হাতে দাঁড়িয়ে এই মন্দিরকে রক্ষা করেছেন।
বিস্তারিত ইতিহাস ও বিবরণ
মন্দিরটি প্রধান পূজিত ভগবান হলেন রঁক্ষাকালী মাতা ও বাবা মহাদেব। প্রতি শনিবারে মায়ের বিশেষ পূজা হয় এবং শনিবারে ভক্তদের সমাগম থাকে অনেক বেশি।কার্তিক মাসের কালী পুঁজায় এবং বাৎসরিক পুঁজায় বেশী ভিড় হয়। পৌষ মাসের ২১ তারিখে প্রতি বছর বাৎসরিক পুঁজা হয়। প্রতিদিন মন্দির সকাল ৯ টায় খোলা হয় মায়ের মন্দির । এছাড়া রাজভোগ হয় একটায় ও মন্দির বন্ধ হয় রাত ৮ টার আরতির পরে।
আপনার তোলা ছবি আছে?
মন্দিরের যেকোনো নতুন ছবি বা গ্যালারি আপডেট করতে পারেন।








