মোট 117টি মন্দির পাওয়া গেছে(পেজ 2/4)

Sri Sri Nitai Gaur Jew Temple (ISKCON, Sreemangal)
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার সবুজবাগ এলাকায় ইসকন পরিচালিত এই পবিত্র মন্দিরটি ভক্তদের কাছে ‘নিতাই গৌর জিউ মন্দির’ নামেই সমধিক পরিচিত। রথযাত্রা, জন্মাষ্টমী, দামোদর দীপদান মহোৎসব সহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব এখানে জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালিত হয়।

Sri Sri Burrakartar Samadhi Ashram
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে অবস্থিত প্রায় একশ বছরের পুরনো আশ্রম। ভক্তরা যাকে “বুড়াকর্তা” বলে ডাকেন, সেই সন্ন্যাসী রাধাকান্ত সোহং স্বামীজির সমাধিই এই আশ্রমের প্রাণকেন্দ্র। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ১৪ দিনব্যাপী মেলা ও কীর্তন অনুষ্ঠিত হয় যা সারাদেশের হাজারো ভক্তকে আকর্ষণ করে।

Sri Sri Tara Maa Temple (Bārthi Kali Bari)
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বার্থী গ্রামে অবস্থিত প্রায় ৪৫০ বছরের পুরনো এই মন্দিরটি বাংলার অন্যতম প্রাচীন ও জাগ্রত শক্তিপীঠ। মন্দিরের পাশের জোয়ার-ভাটার খালে স্নানের স্বপ্নাদেশের কাহিনি চিরকাল ভক্তদের কাছে অম্লান। প্রতি বছর চৈত্র মাসের বাৎসরিক কালীপূজা ও মেলা লক্ষাধিক পুণ্যার্থীকে আকর্ষণ করে।

Sri Sri Mokshadayini Kali Temple and Shiva Temple
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পরৈকোড়া ইউনিয়নের পূর্বকন্যারা গ্রামে অবস্থিত এই মন্দির কমপ্লেক্সে পাশাপাশি মা মোক্ষদায়িনী কালী ও ভগবান শিব পূজিত হন। এটি একটি ‘জাগ্রত’ পীঠ হিসেবে এলাকাবাসী ও দূরদূরান্তের ভক্তদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। বিশেষ করে দীপাবলি ও কালীপূজা উপলক্ষে এখানে ভক্তের ঢল নামে।

Sri Sri Kanailal Jeu Bighraha Mandir (ISKCON Savar)
সাভারের কাতলাপুর এলাকায় অবস্থিত ইসকন সাভার একটি অলৌকিক ও জাগ্রত তীর্থস্থান। গঙ্গার শাখা বংশী নদী থেকে প্রায় ২০০ বছর আগে পাওয়া কষ্টিপাথরের বিষ্ণু বিগ্রহ এখানে বিরাজমান। বালিয়াটি জমিদারের স্বপ্নাদেশের ফলশ্রুতিতে ২০১৪ সালে নবনির্মিত মন্দিরটি ভক্তদের কাছে প্রশান্তি ও কৃষ্ণপ্রেম ছড়িয়ে দিচ্ছে।

Rangkut Bonashram Buddhist Vihara
কক্সবাজারের রামু উপজেলায় অবস্থিত ২,৩০০ বছরের প্রাচীন রাংকুট বনাশ্রম। খ্রিস্টপূর্ব ২৬৮ অব্দে সম্রাট অশোক গৌতম বুদ্ধের বক্ষাস্থি রক্ষার্থে এই চৈত্য স্থাপন করেন।

Sri Sri Radha Govinda Temple
ঢাকার ধামরাই উপজেলার রোয়াইল গ্রামে অবস্থিত একটি অপূর্ব কারুকার্য ও মৃৎশিল্পে নির্মিত মন্দির। এটি বাবু শ্রী ভবেশ চন্দ্র ঘোষের বাড়ির আঙ্গিনায় অবস্থিত।

Sri Sri Parameshwar Bhagavan Sri Krishna Chaitanya Mahaprabhu Temple (ISKCON Lakshmipur)
চট্টগ্রাম বিভাগের লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলায় অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসকন মন্দির। ২০২৩ সালে আয়োজিত রথযাত্রায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছিলেন। এখানে প্রতিদিন ভক্তদের ভিড় জমে এবং বিভিন্ন উৎসব পালিত হয়।

Sri Sri Loknath Sebashram and Shiva Temple, Sairpur
সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সৈয়ারপুরে ফরেস্ট অফিস রোডে অবস্থিত এই সেবাশ্রম ও নবনির্মিত শিব মন্দিরটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য এক জাগ্রত তীর্থ। ২০২৫ সালের ৩০শে এপ্রিল মহাদেবের প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্তের ভক্তদের পদচারণায় মুখরিত।

Sri Sri Chondi Tirtha Medhas Muni ashram
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার কড়লডেঙ্গা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই আশ্রমটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে একটি অতিপবিত্র তীর্থস্থান। এটি বিশ্বের প্রথম দুর্গাপূজার উৎপত্তিস্থল এবং এখানেই সত্যযুগে রাজা সুরথ ও বৈশ্য সমাধি প্রথম দেবী দুর্গার পূজা করেন।

Sri Sri Shiva Temple (Thanar Ghat)
ময়মনসিংহ নগরীর ৫০ নং থানা ঘাট এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী শিব মন্দিরটি অঞ্চলের একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উপাসনালয়। এটি ভক্তদের কাছে জাগ্রত পীঠ হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যার আরতি অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি এ মন্দিরের শিবলিঙ্গ চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশ তা উদ্ধার করে

Jagannath Hall Shiv Mandir
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আবাসিক হল জগন্নাথ হল। ১৯২১ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই হলের অভ্যন্তরে অবস্থিত এই শিব মন্দিরটি সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।

Sri Sri Kalachand Thakur Bari
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরটি প্রায় তিনশো বছরের পুরনো। স্বপ্নাদেশ পেয়ে হাটহাজারীর ফতেয়াবাদের ভক্ত বৈষ্ণব কালাচাঁদ এখানে বিগ্রহ স্থাপন করেন। চতুর্ভূজ বিষ্ণুমূর্তি কালাচাঁদ এখানে জাগ্রত দেবতা রূপে পূজিত হন।

Sri Sri Narikelbaria Mahashashan Shiva Temple
খুলনা বিভাগের যশোর জেলার বাঘারপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে চিত্রা নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দির ও মহাশ্মশান। প্রাচীনকাল থেকেই এটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি পবিত্র ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কেন্দ্র। এখানকার শিবমন্দিরটি বহু প্রাচীন।

Shree Shree Balaram Jeu Akhra
সিলেট নগরীর মিরাবাজারে অবস্থিত শ্রীশ্রী বলরাম জিউর আখড়া প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহ্যবাহী বৈষ্ণব প্রতিষ্ঠান। ১৭৫০ সালে জমিদার মদন মুন্সি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে দশম-দ্বাদশ শতকের দুটি বিষ্ণু মূর্তি, একটি গণেশ মূর্তি ও পঞ্চদশ-ষোড়শ শতকের একটি শিবলিঙ্গ পূজিত হয়।

Pirojpur Pouro Shmoshan
পিরোজপুর শহরের একমাত্র পৌর শ্মশান এটি। মৃত্যুর পর শেষ বিদায়ের এই স্থানটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে একটি প্রাচীন কালী মন্দির রয়েছে, যা ভক্তদের কাছে 'জাগ্রত' পীঠ হিসেবে পরিচিত। দাহকাজের পাশাপাশি এখানে নিয়মিত পূজা-অর্চনা ও বার্ষিক কালীপূজা অনুষ্ঠিত হয়।

Shri Shri Vishwanath Temple (Shankar Math and Mission)
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে অবস্থিত এই মন্দিরটি ভারতের কাশীধামের আদলে নির্মিত। ২০২১ সালে শংকর মঠের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে এর উদ্বোধন করা হয়। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান, যেখানে প্রতিদিন ভক্তরা পূজা-অর্চনা করতে আসেন।

Sri Sri Chinishpur Kali Mandir
শ্রীশ্রী চিনিশপুর কালী মন্দির নরসিংদী জেলার একটি অতি প্রাচীন ও ঐতিহাসিক সনাতন তীর্থস্থান। এটি প্রায় ২৫০ বছরের পুরনো। মা দক্ষিণাকালীকে উৎসর্গীকৃত এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন পরম মাতৃসাধক দ্বিজ রামপ্রসাদ।

Kalighat Sri Sri Jagannath Jiu Akhra
সিলেটের ঐতিহ্যবাহী কালীঘাট এলাকায় অবস্থিত শ্রী শ্রী জগন্নাথ জিউর আখড়া সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রাচীন ও পবিত্র তীর্থস্থান। জগন্নাথদেব, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ এখানে প্রতিষ্ঠিত।

Sri Sri Pundarik Dham
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নে অবস্থিত শ্রী শ্রী পুন্ডরীক ধাম বাংলাদেশের একটি প্রাচীন ও পবিত্র বৈষ্ণব তীর্থস্থান। এটি শ্রীল পুন্ডরীক বিদ্যানিধি (শ্রীমতী রাধারানীর পিতা বৃষভানু মহারাজের অবতার)-এর আবির্ভাব স্থান হিসেবে পরিচিত।

Jagannath University Central Temple
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) এখনো কোনো স্থায়ী কেন্দ্রীয় মন্দির গড়ে ওঠেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষার্থীরা মুক্তমঞ্চের পাশে প্রতীকী মন্দির তৈরি করেন।

Shahjalal University of Science and Technology (SUST) Central Temple
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাস্ট) এখনো কোনো স্থায়ী মন্দির নেই। ২০১৪ সালে ৫০ শতক জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হলেও নির্মাণ সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে একটি অস্থায়ী কক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরা ধর্মচক্র পরিচালনা করে আসছেন।

Sri Sri Shib Shankar Shoshan Kali Bari Temple
কুমিল্লার টিক্কাচরে অবস্থিত এই মন্দিরটি শিব ও শ্মশানকালীর এক অপূর্ব মিলনক্ষেত্র। প্রায় ৪৭ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত এই মন্দিরটি স্থানীয়দের কাছে এক জাগ্রত পীঠস্থান হিসেবে সমাদৃত।

Goshaildanga Sree Sree Shoshan Kali Bari
বন্দরনগরী চট্টগ্রামের গোসাইলডাঙ্গা এলাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই মন্দিরটি একটি জাগ্রত শ্মশান কালী পীঠ হিসেবে পরিচিত। জনশ্রুতি আছে, ১৯৫৮ সালে স্বর্গীয় জমিদার শ্রী জগমোহন চৌধুরী এটি প্রতিষ্ঠা করেন। মন্দির চত্বরের পাশেই রয়েছে একটি মহাশ্মশান, যা এই মন্দিরের আধ্যাত্মিকতাকে আরও গভীর করেছে।

Sri Sri Mahalakshmi Gribapith, Kalagul
৫১ সতীপীঠের অন্যতম এই জাগ্রত তীর্থক্ষেত্রটি সিলেটের কালাগুল চা বাগানে অবস্থিত। এখানে সতীর 'গ্রীবা' (গলা) অংশ পতিত হয়েছিল। এই মন্দিরে দেবী মহালক্ষ্মী ও ভৈরবীর পূজা হয়। প্রতিবছর ফাল্গুন মাসে এখানে বিশাল উৎসবের আয়োজন করা হয়।

Khulna University Central Temple (KU Hindu Temple)
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে অবস্থিত কেন্দ্রীয় মন্দিরটি বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অন্যতম সুন্দর একটি ধর্মীয় স্থাপনা। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মন্দিরে ২০২৪ সালে প্রথমবারের মতো ব্যাপকভাবে শ্যামা পূজা উদযাপিত হয়, যা ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক মাইলফলক।

hri Shri Sarbajanin Raksha Kali Temple & Mahashmashan, Patharghata
চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পাথরঘাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত এই মন্দিরটি প্রায় ২০০ বছরের পুরনো এক জীবন্ত ইতিহাস। এটি শুধু একটি কালী মন্দির নয়, এর বিশাল শ্মশানঘাটের জন্য এটি সারা চট্টগ্রামে সমাধি মন্দির নামেও পরিচিত।

Sri Sri Dewaneshwari Kali Temple
চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং থানার দেওয়ানহাটে অবস্থিত এই মন্দির দেবী কালীর এক জাগ্রত রূপ ‘মা দেওয়ানেশ্বরী’র আরাধনার কেন্দ্র। প্রতিবছর শ্যামা পূজা ও দীপাবলি এখানে মহাসমারোহে উদযাপিত হয়। ভক্তদের বিশ্বাস—মা দেওয়ানেশ্বরী কালী এখানে অশুভ শক্তিকে নাশ করে ভক্তের মনে শান্তি ও সাহস এনে দেন।

Sree Sree Kalitala Kali Mandir
শ্রী শ্রী কালীতলা কালী মন্দির ১৯১৯ খ্রি. ঠাকুরপাড়ায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।

University of Chittagong Central Temple (Saraswati Gyan Mondir)
বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এটিই প্রথম কেন্দ্রীয় মন্দির। দেবী সরস্বতীর নামে এই ‘জ্ঞান মন্দির’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণে আধ্যাত্মিকতা, জ্ঞানচর্চা ও সম্প্রীতির এক অনন্য প্রতীক। ২০২৬ সালে এর উদ্বোধন হয়।